<p>নীল সোয়েটার পরে, হাসি মুখে নুসরাতের সামনে দাঁড়িয়ে আছে অমিত! অথচ ওর লাশটা পড়ে রয়েছে ঠিক নুসরাতের পেছনে, বেদীর ওপর...</p><div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a"><div dir="auto" style="text-align: start;">হঠাৎ করেই সমস্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ চলে গেল। ঘুট ঘুটে অন্ধকারে ডুবে গেল চারপাশ। নুসরাত কাঁপছে প্রচণ্ড রকমের আতঙ্কে। অমিতের গাঢ় নিঃশ্বাস পড়ছে ওর কপালের দিকটায়।</div></div><br><p></p>
মো. ফরহাদ চৌধুরী শিহাব। প্রথম দিকের লেখালেখিতে নিথর শ্রাবণ শিহাব নামে লিখেছি। জন্ম ১৩ই নভেম্বর ১৯৮৯। বাবা মো. আয়ুব, মা ফাহিমা পারভীন, স্ত্রী তাসনুভা আফরোজ নোভা এবং একমাত্র সন্তান জিহান। লেখালেখি ও আঁকাআঁকি করতে ভালবাসি। বাবার চাকরিসূত্রে দেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকা হয়েছে। পেশায় প্রকৌশলী। চট্টগ্রামের একটি বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বরত আছি। চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বিএসসি, পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ। ছাত্রজীবন থেকে লেখালেখি করতাম নিজের আনন্দের জন্য, বিভিন্ন বইয়ে অলংকরণের কাজও করেছি। এখন কর্ম ব্যস্ততায় লেখালেখি কিংবা আঁকা কমে গেছে। তবুও লেখক বলে নিজেকে পরিচয় দেই সুযোগ পেলে। লেখক হলে কখনো অবসর নেয়া যায় না। সন্তান জিহান মাঝে মাঝে শেলফ থেকে আমার বই বের করে পেছনের মলাটে আমার ছবি দেখে চোখ বড়ো বড়ো করে যখন বলে, 'বাবা এটা তোমার ছবি! বইয়ে বাবার ছবি আছে!' বিস্মিত চোখে মুখে হাসি। তখন মনে হয় সমস্ত ব্যস্ততা ভেঙে আবার লেখা শুরু করি। ওর বিস্মিত মুখ দেখতে ভালো লাগে। আগে যেমন আমার আব্বা আম্মার আনন্দিত মুখ দেখতাম, ঠিক তেমনটাই ছেলের বেলাতেও। কি আশ্চর্য রূপে পৃথিবীতে প্রতিটা হাসি আনন্দ ফিরে ফিরে আসে!
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।