লগইন রেজিস্টার
অর্ডার কনফার্ম করতে পেমেন্ট করুন।
📞 01515262381
-35% দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ
৳ 580 ৳ 377
প্রত্যাশিত প্রকাশের তারিখ: 31 Oct, 2026
পরিমাণ

দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ

★★★★☆ 4.3 · 342 রেটিং · 2 রিভিউ

অশুভ বাড়ির গল্প তো অনেক শুনেছেন, তাই না? একটা বাড়িতে কোনো খারাপ ঘটনা ঘটার পরেই সাধারণত বাড়িটা ‘অশুভ’ বলে পরিচিতি পায়। কিন্তু এমন কোনো বাড়ির গল্প কি শুনেছেন যেটা একদম শুরু থেকেই অশুভ? কোনো কারণ ছাড়াই অশুভ? এমনই এক বাড়ির গল্প এটি। হিল হাউজে রাতের বেলা কেউ থাকতে চায় না। বাড়িটিতে যারাই থাকে তাদের জীবনেই নেমে আসে অদ্ভুত এক অভিশাপ! কেউ এখানে থাকতে পারেনি! কেউ পালিয়ে বেঁচেছে, আবার কাউকে দিতে হয়েছে প্রাণ! হিলসডেল গ্রামের লোকেরা এই বাড়ির নামটাও পর্যন্ত উচ্চারণ করতে চায় না। কী রহস্য লুকিয়ে আছে এই বাড়িতে? সেই রহস্য সমাধানের জন্যই এলেন ড. মন্টেগু। সাথে নিয়ে এলেন লুক, এলেনর আর থিয়োডোরাকে। অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে লাগলো ওদের সাথে। বাড়ির কেয়ারটেকার মি. ডাডলির স্ত্রী, মিসেস ডাডলি কেন সবসময় রহস্যময় আচরণ করে? কেন ওরা দুজন সন্ধ্যার আগেই বাড়িটা ছেড়ে চলে যায়? আরো অনেক প্রশ্নই এলো সামনে। ড. মন্টেগু আর তার সাথিরা কি পারবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করতে?

বইয়ের তথ্য

পৃষ্ঠা সংখ্যা
২৭২
বাঁধাই
হার্ডকভার
প্রকাশনী
বোহো
প্রথম প্রকাশ
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভাষা
বাংলা
ISBN
978-984-29096-4-1
শার্লি জ্যাকসন
শার্লি জ্যাকসন
লেখক

শার্লি জ্যাকসন (১৯১৬–১৯৬৫) ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও ছোটোগল্পকার, যাকে সাইকোলজিক্যাল হরর ও গথিক সাহিত্যের অন্যতম রূপকার মনে করা হয়। তিনি সবচেয়ে বেশি সমাদৃত তার সাড়া জাগানো ছোটগল্প 'দ্য লটারি'-র জন্য, যা প্রকাশের পর সাহিত্যজগতে এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এবং আজও আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। তার কালজয়ী উপন্যাসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউস' এবং 'উই হ্যাভ অলওয়েজ লিভড ইন দ্য ক্যাসেল'। মনস্তাত্ত্বিক রহস্য, অলৌকিক আবহ আর সাধারণ জীবনের অসাধারণ বুননে তিনি নিজেকে আধুনিক হরর সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত ও চিরস্মরণীয় নাম হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

লুৎফুল কায়সার
লুৎফুল কায়সার
অনুবাদক

লুৎফুল কায়সার । জন্ম রাজশাহীতে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশলে স্নাতক করেছেন। বই পড়তে ভালােবাসেন আর সেখান থেকেই লেখালেখির শুরু। ভৌতিক ব্যাপার-স্যাপারের প্রতি আলাদা আগ্রহ রয়েছে। আরবান লেজেন্ডস তার প্রথম একক গ্রন্থ ছিল। এরপর লেখেন ক্রিপিপাস্তাস। এছাড়াও অনুবাদ করেছেন আরও কিছু বই। 'আফ্রিতা: আঁধারের সন্ধানে' তার প্রথম মৌলিক উপন্যাস। বর্তমানে কাজ করছেন আফ্রিতার সিকুয়েল এবং আরও কিছু মৌলিক ও অনুবাদ নিয়ে।

মতামত

কাস্টমার রিভিউ

★ ★ ★ ★ ★
বইটি রেট করুন
এই বইটি রেট করতে হলে লগইন করুন। লগ ইন
5 স্টার
174 (51%)
4 স্টার
99 (29%)
3 স্টার
69 (20%)
2 স্টার
0 (0%)
1 স্টার
0 (0%)
মোট 2টি রিভিউ দেখানো হচ্ছে
S
Shuvagoto Dip
27 Sep, 2026
★★★★☆

কয়েকটা পাহাড় দিয়ে ঘেরা এক রহস্যময় বাড়ি হিল হাউজ। বাড়িটা আপাদমস্তক যেন আলাদা এক আবহে ঢাকা। হিল হাউজের প্রত্যেকটা ঘরের ডিজাইন আলাদা। ঘরগুলোর মেঝে, দেয়াল, সিলিং, দরজা আর জানালাগুলো যেন কথা বলতে চায়। আশি বছর ধরে হিল হাউজ দাঁড়িয়ে আছে নিজের ভেতরের রহস্যগুলোকে বুকে নিয়ে। সামনের আরো আশি বছর হয়তো এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকবে। হিল হাউজ সম্পর্কে যারা জানে তাদের বেশিরভাগই বাড়িটার ছায়াও মাড়াতে চায় না। বাড়িটা যেন মানুষকে নিঃসঙ্গ করে দিতে চায়। তারপর তার পুরোটা গ্রাস করে নিজের অংশ বানিয়ে ফেলে। ড. জন মন্টেগু একজন প্যারানরমান রিসার্চার। পুরো আমেরিকা জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নানা ভূতুড়ে বাড়ি সম্পর্কে অনুসন্ধান করেছেন ভদ্রলোক। এবার তিনি সন্ধান পেলেন কুখ্যাত হিল হাউজের। ড. মন্টেগুর ইচ্ছা, হিল হাউজের ভৌতিক রহস্য সমাধান করবেন তিনি। তারপর একটা বই লিখবেন। ব্যাপারটাকে ব্যাপক সিরিয়াসভাবে নিয়ে রীতিমতো আদাজল খেয়ে মাঠে নামলেন ড. মন্টেগু। কয়েক মাসের জন্য আস্ত হিল হাউজটাই ভাড়া নিলেন তিনি। তাঁর এই এক্সপিডিশনে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন এলেনর ভান্স আর থিয়োডোরা নামের দুই তরুণী ও লুক স্যান্ডারসন নামের এক তরুণকে। প্ল্যান করা হলো ড. মন্টেগুর সাথেই হিল হাউজে থাকবে এই তিন তরুণ-তরুণী। লক্ষ্য করবে বাড়িটাতে আসলে কি ঘটে। নিজের অতীত জীবন নিয়ে মারাত্মক অসন্তুষ্ট এলেনরের নতুন জীবন শুরু হলো হিল হাউজে। ড. মন্টেগু সহ বাড়ির অন্য দুই বাসিন্দা থিয়োডোরা আর লুকের সাথে তার অদ্ভুত এক সম্পর্ক গড়ে উঠলো। এলেনরের সম্পর্ক গড়ে উঠলো রহস্যময় হিল হাউজের সাথেও। রাতের আঁধারে যেন বাড়িটা জীবন্ত হয়ে ওঠে। নানারকম আধিভৌতিক কর্মকাণ্ড ঘটতে থাকলো এই বাড়ির চার বাসিন্দার সাথে। রাতে ঘটে যাওয়া ব্যাখ্যার অতীত সব ঘটনা আর দিনের বাকি সময় সেগুলো নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করেই কাটতে থাকলো এলেনর, ড. মন্টেগু, থিয়োডোরা আর লুকের দিনগুলো। হিল হাউজ এমন এক বাড়ি যেখানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু অলৌকিক আর অব্যাখ্যাত ঘটনা ঘটে চলেছে। বাড়িটা যেন সূক্ষ্মভাবে এর অধিবাসীদের ভেতরেও পরিবর্তন নিয়ে আসতে লাগলো। রহস্য আরো বাড়িয়ে দিলো হিল হাউজের কেয়ারটেকার ডাডলি দম্পতি। তবে কি এতোগুলো বছর ধরে হিল হাউজ নিয়ে লোকমুখে ঘুরে চলা ভৌতিক ঘটনাগুলো সত্যি, নাকি সবই ড. মন্টেগু আর বাকি তিন বাসিন্দার মনের ভুল? বিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা শার্লি জ্যাকসনের 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ'-কে শতাব্দীর সেরা গথিক হরর উপন্যাস হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। আমি এর আগে লেখিকার একটা বই-ই পড়েছি৷ ওটাও একটা গথিক হরর ছিলো। বইটার নাম 'উই হ্যাভ অলওয়েজ লিভড ইন দ্য ক্যাসল'। 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ' পড়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন বাদে শার্লি জ্যাকসনের সবচেয়ে বিখ্যাত কাজটা পড়ার সুযোগ হলো। লেখিকা তাঁর এই উপন্যাসে এমন এক ভূতুড়ে বাড়ির গল্প বলেছেন যেখানে বাড়িটা নিজেই একটা প্রধান চরিত্র। হ্যাঁ, আমি ঠিকই বলছি। শার্লি জ্যাকসন তাঁর এই উপন্যাসে হিল হাউজকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে চিত্রিত করেছেন। সচরাচর আমরা যে ধরণের হরর কাহিনি পড়ি সেখানে কোন বাড়ি হন্টেড হওয়ার পেছনে দায়ী থাকে কোন না কোন খারাপ আত্মা, জ্বিন বা অতিপ্রাকৃত কোন শক্তি। কিন্তু 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজে' খোদ হিল হাউজ যেন সৃষ্টিলগ্ন থেকেই হন্টেড। যে কারণে বাড়িটার ইতিহাসের পুরোটা জুড়েই পাওয়া যায় রহস্যজনক মৃত্যু, আত্মহনন আর ভয়ঙ্কর মানসিক উন্মাদনার মতো ক্রিপি ব্যাপারগুলো। 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ' শুরু করার পর শেষ করতে একটা লম্বা সময় লেগেছে আমার। এর পেছনে দায়ী আমার পেশাগত ব্যস্ততা। কিন্তু বইটার পেছনে ঠিকঠাক সময় দিতে পারলে শেষ করতে আসলে বেশি সময় লাগবে না। শার্লি জ্যাকসনের এই বিখ্যাত গথিক হরর উপন্যাসটা আসলে কয়েকটা আলাদা আলাদা আধিভৌতিক ঘটনার একটা সমষ্টিগত রূপ, যেখানে সমস্ত ঘটনার কেন্দ্রেই থাকে রহস্যময় হিল হাউজ। লেখিকা তাঁর এই উপন্যাসে দারুণ ভয়ের আবহ সৃষ্টি করতে পেরেছেন প্রথাগত উপায়ে ভূত-প্রেত না দেখিয়েই। শুধুমাত্র পরিবেশগত ভয়ের আবহ সৃষ্টি করতে পেরেছেন বলেই সম্ভবত বইটা হরর সাহিত্যের জগতে এমন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আর এই ব্যাপারগুলোই 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ'-কে একটা সার্থক গথিক হররের পাশাপাশি একটা চমৎকার সাইকোলজিক্যাল হররের রূপও দিয়েছে। পাঠকের সাথে তার নিজের অজান্তেই দারুণ এক মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলেছেন লেখিকা শার্লি জ্যাকসন। এই ব্যাপারটা আমার নিজের কাছেও ভালো লেগেছে। শার্লি জ্যাকসন 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ'-এর এন্ডিংটা ওপেন এন্ডিং হিসেবে রেখেছেন যেন পাঠক এই উপন্যাসের সমাপ্তিটা নিজের মতো করে ভেবে নিতে পারে। তবে শেষের আগের ধাক্কাটা আমাকে বেশ খানিকটা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে। বইটার সেকেন্ড হাফের পর থেকে কাহিনির গতিশীলতা অনেকটাই বেড়ে গেছিলো। নতুন কিছু চরিত্রের আগমনও ঘটেছিলো সেকেন্ড হাফের পরে। আরো খানিকটা ইন্টারেস্টিং হয়ে উঠেছিলো এর কাহিনি। আর এসব ঘটনাক্রমের কারণে সমাপ্তির আগের ধাক্কাটার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নেয়া ছিলো আমার। তারপরও ব্যাপারটা আমার কাছে অকস্মাৎ এসেছে বলে মনে হয়েছে। যাই হোক, 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ'-এর ফার্স্ট হাফের কিছু অংশ পড়তে গিয়ে আমি বোর ফিল করলেও সেকেন্ড হাফে এসে তেমনটা আর ফিল হয়নি আমার। শার্লি জ্যাকসনের ওপেন এন্ডিং নিয়ে অনুবাদকের করা আলোচনা অংশটাও বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে। লুৎফুল কায়সারের অনুবাদ নিয়ে আসলে নতুন করে বলার কিছু নেই৷ বরাবরের মতোই দারুণ সাবলীল ও সুখপাঠ্য অনুবাদ করেছেন তিনি৷ 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ' পড়তে গিয়ে কোথাও হোঁচট খেতে হয়নি আমাকে। আর বইয়ের শেষাংশ নিয়ে অনুবাদকের থিওরিগুলো তো উপরি পাওনা ছিলো। পরাগ ওয়াহিদের করা প্রচ্ছটা বেশ ভালো লেগেছে আমার। বোহো'র প্রোডাকশন নিয়েও আমার কোন অভিযোগ নেই। গথিক হরর নিয়ে আগ্রহ থাকলে পড়ে ফেলতে পারেন 'দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ'। আগ্রহ না থাকলেও ট্রাই করে দেখতে পারেন। ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৭৫/৫ বই: দ্য হন্টিং অব হিল হাউজ লেখিকা: শার্লি জ্যাকসন অনুবাদ: লুৎফুল কায়সার প্রকাশক: বোহো প্রকাশকাল: ডিসেম্বর, ২০২৫ ঘরানা: গথিক হরর/সাইকোলজিক্যাল হরর প্রচ্ছদ: পরাগ ওয়াহিদ পৃষ্ঠা: ২৭২ মুদ্রিত মূল্য: ৫৮০ টাকা ফরম্যাট: হার্ডকভার (২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সন্ধ্যা ৭ টা ৭ মিনিট; নাটোর)

ন
নবীন
23 Aug, 2026
★★★★★

অলৌকিক ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ড. মন্টেগু একদল মানুষকে নিয়ে ওঠেন ৮০ বছরের পুরোনো, অভিশপ্ত ‘হিল হাউজে’। বিষাদগ্রস্ত ও মানসিকভাবে ভঙ্গুর তরুণী এলেনর সেখানে গিয়ে এক অদ্ভুত টান অনুভব করে। রক্তহিম করা ঘটনা আর ভৌতিক আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে বাড়িটি ধীরে ধীরে আচ্ছন্ন করে ফেলে এলেনরের মানসিক অবস্থাকে। বাড়িটিতে সত্যিই ভুতুড়ে উপদ্রব রয়েছে, নাকি পুরোটাই এলেনরের মনস্তাত্ত্বিক বিভ্রান্তি, তা নিয়েই গল্প এগোয়। শার্লি জ্যাকসনের লেখার আসল শক্তি শারীরিক কোনো দানব না দেখিয়ে আবহ তৈরি করে ভয় দেখানো। তার বর্ণনা অত্যন্ত সূক্ষ্ম, গম্ভীর ও মনস্তাত্ত্বিক। কোনো সস্তা জাম্প-স্কেয়ার ছাড়াই তিনি চরিত্রের একাকীত্ব ও ট্রমাকে কেন্দ্র করে গা ছমছমে পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। পাঠককে প্রতি মুহূর্তে বাস্তব ও বিভ্রমের দোলাচলে রাখাটাই এই উপন্যাসের মূল চমক। বোহো প্রকাশিত লুৎফুল কায়সারের অনুবাদটি মূল ইংরেজি উপন্যাসের আবহ রক্ষা করতে সফল। মূল বইয়ের মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা ও থমথমে মেজাজটি সুন্দর সাবলীল বাংলায় ফুটে উঠেছে। বাক্যগঠন সহজবোধ্য হওয়ায় কাহিনির ধারাবাহিকতা বা ভয়ের অনুভূতি বিঘ্নিত হয় না।

📞 💬
বইয়ের নমুনা
নোটিফাই করুন

বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।