<p><b>ইতিহাসের পাতায় এমন বিশাল গুপ্তধনের খোঁজ এর আগে আর কখনো হয়নি।</b></p><p>প্রাচীন পৃথিবীর সেই বিস্ময়কর সাতটি নিদর্শনের সন্ধানে আজ শক্তিশালী দেশগুলো এক মরণপণ প্রতিযোগিতায় মেতেছে। আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগের কথা—গিজার মহা পিরামিডের চূড়ায় এক মহিমান্বিত স্বর্ণশিখর বা 'ক্যাপস্টোন' বসানো ছিল। শোনা যায়, সেটি ছিল অসীম শক্তির আধার; যার দখলে ওই শিখর থাকবে, পৃথিবীর একচ্ছত্র আধিপত্য হবে তারই। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই মহামূল্যবান বস্তুটিকে সাতটি খণ্ডে ভাগ করে তৎকালীন বিশ্বের সাতটি শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যের গহীনে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন ২০০৬ সাল। মহাকাশে এক বিরল মহাজাগতিক সূর্য-যোগ সমাগত। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণেই সেই সাতটি খণ্ডকে খুঁজে বের করে পুনরায় স্বর্ণশিখরটি গড়ে তোলার সময় হয়েছে। পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্র থেকে শুরু করে দুর্ধর্ষ সব সন্ত্রাসী দল—সবার নজর এখন সেই ঐশ্বরিক ক্ষমতার দিকে। তবে এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছে আটটি ছোট দেশের এক দুঃসাহসী জোট। রহস্যময় ক্যাপ্টেন জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়রের নেতৃত্বে এই সংকল্পবদ্ধ দলটি এমন এক বৈশ্বিক রণক্ষেত্রে পা রেখেছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে ওত পেতে আছে মরণফাঁদ, কুমিরে ভরা জলাভূমি আর অশুভ সব শক্তি। এ যেন এক কল্পনাতীত অভিযান। ইভনিং টেলিগ্রাফের ভাষায়, 'চারটি জেমস বন্ড সিনেমাতেও এত রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ড, গায়ের লোম খাড়া করা স্টান্ট আর মারাত্মক সব মারণাস্ত্রের দেখা মিলবে না। রাইলি বর্তমান সময়ের সবচাইতে তুখোড় অ্যাকশন লেখক।'</p>
ম্যাথিউ রাইলি (জন্ম ১৯৭৪) একজন অস্ট্রেলীয় বেস্টসেলিং ঔপন্যাসিক, যিনি দ্রুতগতির অ্যাকশন-থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তার উল্লেখযোগ্য সিরিজগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কেয়ারক্রো (Scarecrow) এবং জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র (Jack West Jr.)। তার বই ২০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বের বহু দেশে বেস্টসেলার হয়েছে।
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।