১৯৪৫ সালের এক গ্রীষ্মের ভোরে, দশ বছর বয়সী ড্যানিয়েল সেম্পেরেকে তার বাবা পুরানো বার্সেলোনার হৃদপিণ্ডে অবস্থিত এক রহস্যময় স্থানে নিয়ে যান, যা পরিচিত মহলের কাছে ‘সিমেটারি অব ফরগটেন বুকস’ নামে পরিচিত। প্রথা অনুযায়ী, ড্যানিয়েলকে তার সহজাত প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করে নিজের জীবনের বই বেছে নিতে হয়। লক্ষ লক্ষ বইয়ের মধ্য থেকে সে হুলিয়ান কারাক্স নামের এক লেখকের অজানা উপন্যাস ‘দ্য শ্যাডো অব দ্য উইন্ড’ বেছে নেয়।<br>উপন্যাসটির মায়ায় পড়ে এবং এর লেখকের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়ে ড্যানিয়েল তার অন্যান্য বই খুঁজে বের করার এবং লেখকের রহস্য উন্মোচন করার চেষ্টা করে। সে বুঝতেও পারে না যে, এর মাধ্যমে তার জীবনের সবচেয়ে বড়ো ও বিপজ্জনক অ্যাডভেঞ্চারের সূচনা হচ্ছে। এই যাত্রা তাকে গথিক, রেনেসাঁ, আর্ট নুভো এবং যুদ্ধপরবর্তী বার্সেলোনার চমৎকার পটভূমিতে অসাধারণ সব গল্প, গভীর আবেগ এবং অভিশপ্ত ও বিয়োগান্তক প্রেমের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে।
কার্লোস রুইস জাফন (বার্সেলোনা, ১৯৬৪ – লস অ্যাঞ্জেলেস, ২০২০) সামসময়িক আন্তর্জাতিক সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এবং বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পঠিত স্প্যানিশ লেখক। তার লেখা বইগুলো পঞ্চাশেরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯৯৩ সালে ‘দ্য প্রিন্স অব মিস্ট’ উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যজগতে পদার্পণ করেন, যা ‘দ্য মিস্ট ট্রিলজি’-এর অন্তর্ভুক্ত; এই সিরিজের অন্য দুটি বই হলো ‘দ্য মিডনাইট প্যালেস’ (১৯৯৪) এবং ‘দ্য ওয়াচার ইন দ্য শ্যাডোজ’ (১৯৯৫)। ১৯৯৯ সালে তার ‘মারিনা’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। ২০০১ সালে প্রকাশিত হয় ‘দ্য শ্যাডো অব দ্য উইন্ড’, যা ‘দ্য সিমেট্রি অব ফরগটেন বুকস’ টেট্রালজির প্রথম কিস্তি। এই সিরিজের বাকি বইগুলো হলো ‘দ্য এঞ্জেল’স গেম’ (২০০৮), ‘দ্য প্রিজনার অব হ্যাভেন’ (২০১১) এবং ‘দ্য ল্যাবিরিন্থ অব দ্য স্পিরিটস’ (২০১৬)—এই বর্ণনামূলক মহাবিশ্বটি পাঁচটি মহাদেশ জুড়ে সমসাময়িক গল্প বলার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ২০২০ সালে তার সমস্ত ছোটোগল্পের সংকলন ‘দ্য সিটি অব স্টিম’ প্রকাশিত হয়।
জন্ম নরসিংদী জেলার মনোহরদীতে। পড়াশোনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনুবাদে হাতেখড়ি ‘রহস্যপত্রিকা’র মাধ্যমে। প্রকাশিত অনুবাদগ্রন্থ—শার্লক বনাম ড্রাকুলা, শার্লক হোমসের অজানা অভিযান, স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের শার্লক হোমস সমগ্র (চার খণ্ডে), ড্যান ব্রাউনের দ্য সিক্রেট অভ সিক্রেটস, এরিক মারিয়া রেমার্কের হেভেন হ্যায নো ফেভারিট্স্, ফিলিপ মিডোয টেলরের ঠগির জবানবন্দি, টিম মার্শালের প্রিজনারস অভ জিওগ্রাফি ইত্যাদি।
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।